ড. আজিম ইব্রাহিম: প্রায় এক দশক ধরে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সংকট সমাধানে আবারও আঞ্চলিক কূটনীতির দিকে তাকাচ্ছে বাংলাদেশ। চলতি মাসে ঢাকা জানিয়েছে, রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে চীন ও মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, এক মিলিয়নের বেশি রোহিঙ্গার বাস্তুচ্যুতি শেষ করতে শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক সমাধান প্রয়োজন। বাংলাদেশ বরাবরই
বর্তমান সময়ে আমাদের জাতীয় অর্থনীতি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং সামাজিক প্রেক্ষাপটে নানামুখী পরিবর্তন ও অগ্রগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে এবং বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে সরকারি ও বেসরকারি উভয় পক্ষ থেকেই বিভিন্ন যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসব উদ্যোগ সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের সার্বিক অগ্রযাত্রা আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে।
বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট খাতের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে দেশের উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এই খাতের যথাযথ প্রসার ঘটলে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ভিত্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করবে।
সামগ্রিক এই উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে দীর্ঘমেয়ায়ী ও টেকসই করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতা এবং সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা অত্যন্ত জরুরি। আশা করা যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এর সুদূরপ্রসারী ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং সাধারণ মানুষ এর প্রকৃত সুফল ভোগ করবে।
কমেন্ট করুন