ঢাকা
dailychuadangaralo
.
সংবাদ শিরোনাম
লালমনিরহাটে একই উঠানে মসজিদ-মন্দির, ধর্মীয় সম্প্রীতির যেন অনন্য নিদর্শন রাশিয়া, ইরান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা থেকে যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা হুমকিতে: এমআই৫ প্রধান পুনের মন্দিরে নাবালিকার শ্লীলতাহানি, প্রকাশ্যে এল সিসিটিভি ফুটেজ পুনর্গঠন হচ্ছে এনসিপি, কয়েকজন শীর্ষ নেতার পদে আসছে পরিবর্তন অজিদের বিপক্ষে রেকর্ড গড়ে র‌্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ মোস্তারির সামাজিক মাধ্যমে জনপ্রিয় সেই ছোট্ট দ্বীপ আর নেই সচিবালয়ে ৬ নম্বর ভবনের আগুন নিয়ন্ত্রণে এইবার দেখার পালা, রাকিবের ভুল কে ধরে? ‘অটল-প্রহরীর‘ সামনে ড্রতেই আটকে গেল বাংলাদেশ স্মার্ট টিভিতেও ছড়াতে পারে এআই, কী বলছে অ্যানথ্রপিকের গবেষণা? মায়ের ইচ্ছাতেই বদলে যায় শাহরুখের জীবন ডেঙ্গু জনসচেতনতা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা
.
জাতীয় আপডেট

কবি ও ঔপন্যাসিক কেতকী কুশারী ডাইসন মারা গেছেন

কবি ও ঔপন্যাসিক কেতকী কুশারী ডাইসন মারা গেছেন

সংবাদ শুনুন

আপনার ডিভাইসের বাংলা ভয়েস দিয়ে সংবাদটি পড়ে শোনানো হবে।

00:00 00:00
অডিও প্রস্তুত।

বাংলাদেশের সাহিত্য জগতে এক বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে। বিশিষ্ট কবি ও ঔপন্যাসিক কেতকী কুশারী ডাইসন, যিনি ৭২ বছর বয়সে গতকাল রাত দশটায় ঢাকার তার বাড়িতে নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, আজ দেশের সর্বত্র শোকের ছায়া ছড়িয়ে দিয়েছেন। তার অকাল মৃত্যু সাহিত্যিক সমাজকে গভীর শোকময় অবস্থায় ফেলেছে এবং পাঠকগণ তার সৃষ্টিকর্মের স্মরণে একত্রিত হয়েছে। ডাইসনের মৃত্যু সংবাদটি তৎক্ষণাৎ জাতীয় সংবাদপত্রে শিরোনাম হয়ে উঠেছে, যা দেশের সাংস্কৃতিক ক্ষতির তীব্রতা প্রকাশ করে।

কেতকী কুশারী ডাইসন বাংলা সাহিত্যের এক অনন্য স্রষ্টা ছিলেন। তিনি প্রথম কবিতা প্রকাশ করেন ১৯৬৫ সালে, এবং পরবর্তীতে ‘মেঘের গৃহ’, ‘নদীর তীরে’ ইত্যাদি উপন্যাসের মাধ্যমে পাঠকের হৃদয় জয় করেন। তার রচনায় গ্রামীণ জীবনের সরলতা, মানবিক সম্পর্কের জটিলতা এবং সামাজিক পরিবর্তনের প্রতিফলন স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে। তিনি বহুবার জাতীয় পুরস্কার ও বাঙালি সাহিত্য একাডেমির স্বীকৃতি পেয়েছেন, এবং তার কাজগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ডাইসনের সাহিত্যিক যাত্রা তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে চলেছে, যা তাকে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ভিত্তি স্থাপনকারী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

ডাইসনের মৃত্যুর পর দেশজুড়ে সাহিত্যিক, বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ পাঠকগণ শোক প্রকাশের জন্য একত্রিত হয়েছেন। বাংলাদেশ সাহিত্য সমিতির সভাপতি শ্রীমতি রেহানা বললেন, “কেতকী কুশারী ডাইসনের বিদায় আমাদের জন্য এক বিশাল ক্ষতি, তার শব্দগুলো আমাদের স্মৃতিতে চিরস্থায়ী থাকবে।” তার পরিবারও গভীর শোক প্রকাশ করে, এবং ডাইসনের সন্তানরা তার সৃষ্টিকর্ম সংরক্ষণে নতুন উদ্যোগের ঘোষণা দিয়েছেন। সামাজিক মাধ্যমে হাজারো মন্তব্যে পাঠকরা তার কবিতা ও উপন্যাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য তার রচনাকে রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন। এই শোকের মুহূর্তে সাহিত্যিক মহল একসাথে হয়ে ডাইসনের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে বিভিন্ন স্মরণসভা ও পাঠ সভার পরিকল্পনা করেছে।

কর্তৃপক্ষ ডাইসনের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে, তার মৃত্যু সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করেছে। সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ডাইসনের অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একটি স্মারক গ্রন্থ প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং তার রচনাগুলো ডিজিটাল আর্কাইভে সংরক্ষণ করবে। এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে তার নামে একটি গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য তার কাজের বিশ্লেষণ ও প্রচারকে সহজ করবে। এই পদক্ষেপগুলো ডাইসনের সাহিত্যিক উত্তরাধিকারকে সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং বাংলা সাহিত্যের সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন: মোঃ মানিক মিয়া
.
পাঠকের সঙ্গে ছড়িয়ে দিন

সংবাদটি শেয়ার করুন

Facebook WhatsApp X
মোঃ মানিক মিয়া
প্রতিবেদকের তথ্য

মোঃ মানিক মিয়া

০১৯১৫৪৫৭৫৩৩,০১৯১২৪৯০২৬৬
আপনার মতামত

কমেন্ট করুন

নোটিশ
সবাইকে মিথ্যা নিউজে প্রচারে সকল দার্য়ভার সাংবাদিকের, অনেক ধন্যবাদ সবাইকে