সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য প্রেরিত নারী কর্মীদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই নারী শ্রমিকদের গন্তব্য দেশের তালিকা এখন মূলত দুটি দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সাম্প্রতিক কয়েক মাসে প্রায় অর্ধেকেরও বেশি নারী কর্মী এই দুই দেশে কর্মরত হয়েছেন। এটি দেশের অর্থনীতিতে নারী শ্রমিকদের অবদান ও আন্তর্জাতিক বাজারে তাদের চাহিদার একটি স্পষ্ট প্রতিফলন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দুই দেশে নারী কর্মীদের চাহিদা বেশি থাকার কারণে বাংলাদেশি নারীরা সেখানে সহজেই কর্মসংস্থান পাচ্ছেন। এছাড়াও, এই দেশগুলোতে নারী শ্রমিকদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও কাজের সুবিধাগুলো তুলনামূলকভাবে ভালো বলে মনে করা হয়। ফলে অন্যান্য দেশের তুলনায় এই দুই গন্তব্যে নারী কর্মীদের আগ্রহ বেশি। সরকারও এই দুই দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি মজবুত করে নারী কর্মীদের নিরাপদ ও সুবিধাজনক পরিবেশে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে।
তবে বিশ্লেষকেরা সতর্ক করে বলেছেন, গন্তব্য দেশের সংখ্যা সীমিত হলে তা দীর্ঘমেয়াদে নারী শ্রমিকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। একাধিক দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকলে কোনো একটি দেশের অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক অস্থিরতায় নারী কর্মীদের কর্মজীবন বিপর্যস্ত হতে পারে। তাই সরকারের উচিত নারী কর্মীদের জন্য নতুন বাজার খোঁজা এবং বিদ্যমান চুক্তিগুলো আরও সুদামী করে তোলা। এতে নারী শ্রমিকদের আয় বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি তাদের কর্মজীবনও নিরাপদ থাকবে।
কমেন্ট করুন